
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এ পিস ক্যাফে ও কমিউনিটি লাইব্রেরি চালু করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (সিপিজে)। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ইতিহাস, পরিচয় ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে ‘রোহিঙ্গা হিস্টোরি অ্যান্ড নলেজ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে গত ১৫ সেপ্টেম্বর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়ের সঙ্গে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইতিহাস ও জ্ঞানকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, পিস ক্যাফে ও কমিউনিটি লাইব্রেরিতে রোহিঙ্গারা বই পড়ার পাশাপাশি মতবিনিময়, জ্ঞানচর্চা ও শেখার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে তরুণরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবেন।
রোহিঙ্গা হিস্টোরি অ্যান্ড নলেজ সেন্টারে রোহিঙ্গাদের ইতিহাস, পরিচয় ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা ও কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। কেন্দ্রটি স্থাপনের জন্য ক্যাম্পের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ দিয়েছে আরআরআরসি কার্যালয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, সিপিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহরিয়ার সাদাত এবং অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর মোফাক খারুল ইসলাম তৌফিক উপস্থিত ছিলেন।
পরে আরআরআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
সিপিজে জানিয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের রিফিউজি স্টাডিজ ইউনিট শিক্ষা, গবেষণা, সক্ষমতা উন্নয়ন ও অ্যাডভোকেসি নিয়ে কাজ করছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা ও সামাজিক সম্প্রীতি তৈরির পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে।